মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

চালের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আছে: খাদ্যমন্ত্রী


প্রকাশন তারিখ : 2017-02-16

ঢাকা, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলাম বলেছেন, এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী খুচরা বাজারে মোটা চালের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে তারা সফল হবে না। চলতি আমন মৌসুমে মোটা চালের দাম আর বাড়বে না। আজ দুপুর ২.০০ টায় সচিবালয়ে অফিস কক্ষে আয়োজিত বাংলাদেশ চালকল মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন,গত বছর এই সময়ে ভারত হতে আড়াই থেকে তিন লাখ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি হয়েছিল। গত বছর শুল্ক ছিল না । কিন্তু এবার শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। ফলে এবছর একই সময়ে মাত্র ৩৭ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছে। এসব কারণে এবার মোটা চালের দাম একটু বেড়েছে। এবছর ব্যবসায়ীরা চাল আমদানি করেনি। এজন্য আমাদের কৃষকরা লাভবান হয়েছে। তারা চালের ন্যায্য দাম পেয়েছে।

মন্ত্রী বলেন,মোটা চালের সরকারি রেট ৩৩ টাকা। কিন্তু কেজিতে এই চালের দাম বেড়েছে এক থেকে দেড় টাকা। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, লীন পিরিয়ডে চালের দাম একটু বাড়ে। তবে এই দাম সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আছে।

কখনোই শুল্ক প্রত্যাহার করা হবে না জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন,কিছু অসাধু ব্যবসায়ী পাইকারি বাজারে দাম বাড়িয়ে চালের বাজার অস্থিতিশীল করতে চায়। যাতে করে সরকার শুল্ক প্রত্যাহার করে নেই। আমরা সেই সুযোগ দেবো না। শুল্ক প্রত্যাহার হবে না। তিনি বলেন, আমাদের দেশের কৃষকরা যাতে ভাল থাকে সেই ব্যবস্থাই হয়েছে। ভারত থেকে মোটা চাল না আসলে আমাদের দেশের কৃষকরাই চাল উৎপাদনে বেশি আগ্রহী হবে।

মিল মালিক সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ জানান, চালের সরকারি রেট ৩৩ টাকা। কিন্তু পাইকারি বাজারে বেশি দাম বাড়েনি। তবে খুচরা বাজারে ৫০ পয়সা দাম বেড়েছে। চালের বাজার আর বাড়বে না জানিয়ে তিনি বলেন,এই মৌসুমে আর মোটা চালের দাম বাড়বে না। চিকন চালের দাম এমনিতেই বাড়েনি। সেটি স্থিতিশীল অবস্থায়ই আছে। ভারত থেকে মোটা চাল আসা বন্ধ থাকায় দাম একটু বেড়েছে। এতে কৃষকরা উপকৃত হয়েছে। তবে নতুন করে মোটা চালের দাম আর বাড়বে না। তিন-চার মাস আগেও এই চালের দাম ৩১ থেকে ৩২ টাকার মধ্যেই ছিল। বর্তমানে  ৩৩ টাকা হয়েছে। এটা সরকারি রেট। সেখান থেকে সাড়ে ৩৩ টাকা বিক্রি করছে খুচরা ব্যবসায়ীরা।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এবার আমাদের লক্ষ্য ছিল ৩ লাখ মেট্রিক টন আমন চাল সংগ্রহ করা। ইতোমধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার মেট্রিক টন চাল ঘরে এসেছে। অতিরিক্ত সংগ্রহ হয়েছে ২৬ হাজার মে. টন। চুক্তি হয়েছে ৪ লাখ ২৬ হাজার মেট্রিক টনের। ১৫ মার্চ পর্যন্ত আমন সংগ্রহ চলবে।

চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এমন খবরের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ চালকল মিল মালিক সমিতির নেতাদের ডাকেন খাদ্যমন্ত্রী এ্যাডভোকেট মোঃ কামরুল ইসলাম।

 

স্বাক্ষরিত/-

১৫.০২.২০১৭

সুমন মেহেদী

সিনিয়র তথ্য অফিসার ও

জনসংযোগ কর্মকর্তা

খাদ্য মন্ত্রণালয়

ফোন: ৯৫৪০৪৩৫ (অফিস)

০১৯ ৩৭ ৪৫ ৫২ ১৮ (মোবাইল)


Share with :